আমাদের গল্প

joya9 bast — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম যেটা তৈরি হয়েছে এদেশের মানুষের কথা ভেবে

বাংলাদেশি বেটারদের চাহিদা, পেমেন্টের পদ্ধতি ও ভাষার কথা মাথায় রেখে joya9 bast প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য একটাই — নিরাপদ, স্বচ্ছ ও উপভোগ্য অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা।

৫ লক্ষ+
নিবন্ধিত সদস্য
২০১৯
প্রতিষ্ঠার বছর
২৪/৭
বাংলায় সাপোর্ট
৩০+ খেলা
লাইভ বেটিং মার্কেট
লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্ল্যাটফর্ম ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন বিকাশ / নগদ / রকেট সাপোর্ট সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস দায়িত্বশীল গেমিং নীতি ২ মিনিটে সাপোর্ট সাড়া

আমাদের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি

joya9 bast কেন তৈরি হয়েছিল এবং আমরা কোথায় যেতে চাই

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা — যেখানে প্রতিটি ব্যবহারকারী জানবেন যে তার টাকা নিরাপদ, তার জেতা টাকা সময়মতো পাবেন এবং যেকোনো সমস্যায় পাশে কেউ আছে। বেটিংকে শুধু লেনদেন নয়, একটি উপভোগ্য অভিজ্ঞতায় পরিণত করাই joya9 bast-এর দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য।

কেন joya9 bast বেছে নেবেন?

এমন কিছু বিষয় যা joya9 bast-কে আলাদা করে তোলে

সম্পূর্ণ বাংলা অভিজ্ঞতা

মেনু থেকে শুরু করে সাপোর্ট চ্যাট পর্যন্ত সব কিছু বাংলায়। বিদেশি প্ল্যাটফর্মের মতো ইংরেজিতে ঘুরে বেড়াতে হবে না — joya9 bast তৈরিই হয়েছে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে।

তাৎক্ষণিক বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট

বিকাশে ডিপোজিট করলে ৩০ সেকেন্ডে ব্যালেন্স যোগ হয়। উইথড্রে সাধারণত ১৫-৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়। কোনো লুকানো চার্জ বা দীর্ঘ অপেক্ষা নেই।

নিরাপদ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত

joya9 bast আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স নিয়ে পরিচালিত হয়। ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ও KYC যাচাই ব্যবস্থা প্রতিটি অ্যাকাউন্ট ও লেনদেন সুরক্ষিত রাখে।

লাইভ বেটিং ও স্কোর আপডেট

ম্যাচ চলাকালীন রিয়েল-টাইম অডসে বাজি ধরুন। ক্রিকেটে বল-বাই-বল আপডেট, ফুটবলে মিনিট-বাই-মিনিট স্কোর — সব একই স্ক্রিনে।

Android ও iOS অ্যাপ

মাত্র ৪৮ MB-এর হালকা অ্যাপ Android ও iPhone উভয়ে কাজ করে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন, পুশ নোটিফিকেশন ও ভিডিও স্ট্রিমিং — সব একটি অ্যাপে।

২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট

মধ্যরাতেও বাংলাভাষী সাপোর্ট এজেন্ট প্রস্তুত। গড়ে মাত্র ২ মিনিটে প্রথম সাড়া পাবেন — লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা Telegram যেভাবে চান।

joya9 bast-এর গল্প — কীভাবে শুরু হয়েছিল

২০১৯ সালে যখন joya9 bast-এর পথচলা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা কম ছিল না — কিন্তু বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা সত্যিকার অর্থে মাথায় রেখে তৈরি প্ল্যাটফর্ম ছিল হাতেগোনা। বেশিরভাগ সাইটের ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিকাশ বা নগদ নেই এবং সমস্যায় পড়লে ইংরেজিতেই যোগাযোগ করতে হয়। এই ফাঁকটাই ছিল joya9 bast-এর জন্মের কারণ।

প্রতিষ্ঠার প্রথম দিন থেকেই joya9 bast সিদ্ধান্ত নিয়েছিল — প্ল্যাটফর্মটা হবে বাংলায়, পেমেন্ট হবে বিকাশে এবং সাপোর্ট হবে মাতৃভাষায়। এই তিনটি বিষয় যখন একসাথে করা হলো, ব্যবহারকারীরা সাড়া দিলেন অভূতপূর্বভাবে। প্রথম বছরেই কয়েক হাজার সক্রিয় সদস্য জমে গেলেন, যাদের অধিকাংশ আগে কোনো অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেননি।

joya9 bast-এর দলটা বরাবরই বিশ্বাস করে যে বেটিং মূলত বিনোদন — আয়ের বিকল্প নয়। এই মানসিকতা থেকেই প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের টুলসগুলো শুরু থেকেই যোগ করা হয়েছে। বাজেট সীমা, কুলিং অফ পিরিয়ড ও স্ব-বর্জনের সুবিধা — এগুলো অনেক বড় আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও সহজলভ্য নয়, কিন্তু joya9 bast শুরু থেকেই এগুলো রেখেছে।

২০২১ সালে joya9 bast অ্যাপ লঞ্চ হওয়ার পর প্ল্যাটফর্মের প্রসার আরও বাড়ে। Android ও iOS উভয়ে কাজ করা এই অ্যাপটি মাত্র ৪৮ MB — ছোট স্টোরেজের ফোনেও অনায়াসে চলে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন, পুশ নোটিফিকেশন এবং বিকাশে সরাসরি পেমেন্টের সুবিধা এই অ্যাপকে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে।

নগদ পেমেন্ট যোগ হয় ২০২২ সালে — ডাক বিভাগের এই সেবাটি বিশেষত গ্রামাঞ্চলে যেখানে বিকাশের সুবিধা কম, সেখানকার ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেয়। এই একটি পদক্ষেপের পর joya9 bast-এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

লাইভ ক্যাসিনো বিভাগটা joya9 bast-এর আরেকটি বড় পদক্ষেপ। রিয়েল ডিলারের সাথে বাকারা, রুলেট ও ব্ল্যাকজ্যাক খেলার অভিজ্ঞতা HD ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে মোবাইলে উপভোগ করা যাচ্ছে — এটা বাংলাদেশে এই মানের প্রথম বেটিং পরিষেবাগুলোর একটি।

joya9 bast-এর ভিআইপি প্রোগ্রামটা নিয়মিত সদস্যদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। যারা নিয়মিত বেটিং করেন তারা ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে প্লাটিনাম স্তর পর্যন্ত যেতে পারেন। প্রতিটি স্তরে উইথড্র সীমা বাড়ে, প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত হয় এবং বিশেষ বোনাস অফার পাওয়া যায়। এই প্রোগ্রামটা নিয়মিত ব্যবহারকারীদের কাছে joya9 bast-এর আনুগত্যের প্রতিদান।

নিরাপত্তার বিষয়ে joya9 bast কোনো আপস করেনি। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, KYC যাচাই এবং AI ভিত্তিক জালিয়াতি শনাক্তকরণ সিস্টেম প্রতিটি অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে। বড় উইথড্রে OTP যাচাই বাধ্যতামূলক — যা নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র আসল অ্যাকাউন্টের মালিকই টাকা তুলতে পারবেন।

২০২৩-২৪ সালে joya9 bast-এর সদস্য সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী — দেশের প্রতিটি বিভাগ থেকে সদস্যরা যোগ দিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস ও ভরসাই joya9 bast-এর সবচেয়ে বড় অর্জন।

আজকের joya9 bast শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের বেটিং সম্প্রদায়ের একটি ঘর। যেখানে ক্রিকেটপ্রেমী বাজি ধরেন, ফুটবল ভক্ত লাইভ স্কোর দেখেন, ক্যাসিনোপ্রিয় মানুষ রিয়েল ডিলারের সাথে বসেন — আর সবাই জানেন, সমস্যা হলে বাংলায় সাহায্য আছে। এটাই joya9 bast-এর পরিচয়।

আমাদের যাত্রার ধাপগুলো

joya9 bast কীভাবে গড়ে উঠেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

২০১৯
joya9 bast-এর যাত্রা শুরু
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে যাত্রা শুরু। প্রথম দিন থেকেই বাংলা ইন্টারফেস ও বিকাশ পেমেন্ট সুবিধা চালু।
২০২০
লাইভ বেটিং ও স্পোর্টস বিভাগ সম্প্রসারণ
ক্রিকেট থেকে শুরু করে ফুটবল, টেনিস ও ই-স্পোর্টস — লাইভ বেটিং মার্কেট উন্মুক্ত হয়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ও IPL কভারেজ শুরু।
২০২১
মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ ও লাইভ ক্যাসিনো
Android ও iOS অ্যাপ প্রকাশিত হয়। রিয়েল ডিলারের সাথে লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু। ভিআইপি প্রোগ্রামের সূচনা।
২০২২
নগদ ও রকেট পেমেন্ট যোগ
নগদ ও রকেট পেমেন্ট সাপোর্ট চালু হওয়ায় গ্রামাঞ্চলের ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানো সহজ হয়। সদস্য সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে যায়।
২০২৩
USDT ক্রিপ্টো পেমেন্ট ও PWA
USDT (TRC-20) পেমেন্ট সাপোর্ট এবং Progressive Web App চালু। বেটিং টিপস ও পরিসংখ্যান বিভাগ যোগ হয়।
২০২৬
পাঁচ লক্ষ সদস্যের মাইলফলক
সক্রিয় সদস্য সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। আপগ্রেডেড AI নিরাপত্তা সিস্টেম ও নতুন ভিআইপি সুবিধা চালু।

আমাদের মূল্যবোধ

যে নীতিগুলো joya9 bast-কে পরিচালিত করে

স্বচ্ছতা

প্রতিটি লেনদেনের বিবরণ, বোনাসের শর্ত ও বেটিং নিষ্পত্তির নিয়ম স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। কোনো লুকানো তথ্য নেই।

নিরাপত্তা

ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আন্তর্জাতিক মানের এনক্রিপশন ও নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট।

সম্প্রদায়মুখী

joya9 bast শুধু একটি ব্যবসা নয় — এটা বাংলাদেশি বেটিং সম্প্রদায়ের একটি অংশ। ব্যবহারকারীদের মতামতই পণ্যের উন্নতির পথ দেখায়।

দায়িত্বশীলতা

বেটিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয় — এই বিশ্বাসে দায়িত্বশীল গেমিং টুলস সবসময় সহজলভ্য রাখা হয়।

গুণমান

প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি ফিচার — অডস থেকে পেমেন্ট, অ্যাপ থেকে সাপোর্ট — সর্বোচ্চ মানের নিশ্চয়তা নিয়ে তৈরি।

ক্রমাগত উন্নতি

ব্যবহারকারীর ফিডব্যাক ও প্রযুক্তির নতুন সুযোগ কাজে লাগিয়ে joya9 bast প্রতিনিয়ত আরও ভালো হচ্ছে।

আমাদের দলের পরিচয়

joya9 bast-এর পেছনে যারা কাজ করছেন তাদের একটি ঝলক

রাহাত আহমেদ
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

অনলাইন গেমিং শিল্পে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। দক্ষিণ এশিয়ার বাজার বোঝার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ।

সুমাইয়া হক
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা

সাইবার সিকিউরিটি ও ফিনটেক ব্যাকগ্রাউন্ড। joya9 bast-এর নিরাপত্তা স্থাপত্যের মূল নকশাকারী।

তানভীর ইসলাম
প্রধান পণ্য কর্মকর্তা

UX ডিজাইন ও বাংলাদেশি মোবাইল ব্যবহারকারীদের আচরণ নিয়ে গবেষণায় দক্ষ। বাংলা ইন্টারফেসের রূপকার।

নাফিসা জামান
গ্রাহক সেবা প্রধান

৫০ জনের বাংলাভাষী সাপোর্ট দল পরিচালনা করেন। গড় সাড়া দেওয়ার সময় ২ মিনিটে নামিয়ে আনার কৃতিত্ব তার।

আমরা যেসব পেমেন্ট সাপোর্ট করি

বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি joya9 bast-এ সক্রিয়

বিকাশ নগদ রকেট ব্যাংক ট্রান্সফার Upay USDT (ক্রিপ্টো)

বিকাশে ডিপোজিট করলে মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ব্যালেন্স যোগ হয়। উইথড্রে গড়ে ১৫-৩০ মিনিট লাগে। কোনো লুকানো চার্জ বা লেনদেন ফি নেই। বিস্তারিত জানতে পেমেন্ট পাতা দেখুন।

দায়িত্বশীল গেমিংয়ে আমাদের অঙ্গীকার

joya9 bast বিশ্বাস করে যে বেটিং আনন্দের জন্য — জীবনের ক্ষতি করার জন্য নয়। এই বিশ্বাস থেকেই আমরা প্ল্যাটফর্মে এমন টুলস রেখেছি যা ব্যবহারকারীদের নিজেদের সুরক্ষা নিজে করার সুযোগ দেয়।

  • দৈনিক ও মাসিক ডিপোজিট সীমা নির্ধারণের সুবিধা
  • কুলিং অফ পিরিয়ড ও অস্থায়ী বিরতির অপশন
  • স্থায়ী স্ব-বর্জনের সুবিধা
  • ১৮ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
  • সমস্যাজনক গেমিং চিহ্নিত করার সাপোর্ট রিসোর্স

আমাদের প্রতিশ্রুতি

joya9 bast কখনো সমস্যাজনক গেমিংকে উৎসাহিত করে না। আমাদের বোনাস ও প্রমোগুলো সবসময় ন্যায্য শর্তে দেওয়া হয়। আমরা বিশ্বাস করি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক তখনই তৈরি হয় যখন ব্যবহারকারী নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বিকাশ ছাড়াও joya9 bast-এ নগদ, রকেট (ডাচ-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং) এবং Upay (UCB) সাপোর্ট করা হয়। এর বাইরে ব্যাংক ট্রান্সফার (NPSB/BEFTN) এবং USDT ক্রিপ্টোকারেন্সিতেও ডিপোজিট ও উইথড্র সম্ভব। সব পদ্ধতিতেই সর্বনিম্ন ডিপোজিট ৳৫০০ (ব্যাংক ট্রান্সফার ছাড়া, সেটা ৳১,০০০)। বিকাশ সবচেয়ে দ্রুত — মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ব্যালেন্স যোগ হয়। নগদেও গড়ে ১ মিনিটের মধ্যে হয়। যেকোনো পেমেন্ট সম্পর্কিত সমস্যায় লাইভ চ্যাটে বাংলায় সাহায্য পাবেন — সব পদ্ধতির ধাপে ধাপে গাইড পেমেন্ট পাতায় আছে।

KYC প্রক্রিয়াটা আসলে বেশি কঠিন নয়। প্রথমবার উইথড্র করার আগে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সামনের ও পেছনের স্পষ্ট ছবি তুলে অ্যাকাউন্টের "ভেরিফিকেশন" বিভাগে আপলোড করতে হবে — এটুকুই মূল কাজ। কিছু ক্ষেত্রে সেলফি বা নিজের হাতে NID ধরে তোলা ছবি চাওয়া হতে পারে। আপলোড করার পর সাধারণত ২ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়। একবার KYC হয়ে গেলে পরের সব উইথড্র অনেক দ্রুত হয় — আর আলাদাভাবে যাচাই করতে হয় না। মনে রাখবেন, নিবন্ধনের সময় যে নাম ও জন্মতারিখ দিয়েছেন সেটা NID-এর সাথে মিলতে হবে, তাই শুরুতে সঠিক তথ্য দেওয়া জরুরি।

joya9 bast-এর পরিবারে যোগ দিন

পাঁচ লক্ষেরও বেশি সদস্য ইতিমধ্যে joya9 bast বেছে নিয়েছেন। নিরাপদ, স্বচ্ছ ও বাংলাদেশ-বান্ধব বেটিং অভিজ্ঞতার জন্য আজই নিবন্ধন করুন।

English